চুলের ডগা ফেটে খানখান? এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হাতের কাছেই রয়েছে এর সমাধানের উপায়!

বেশিরভাগ শ্যাম্পু ও কন্ডিশনারে এত রাসায়নিক ব্যবহৃত হয় যে, চুলের ডগা ফাটার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয় না। চুলের ডগা ফাটার সমস্যা থেকে পুরো চুলই খারাপ হয়ে যেতে পারে। চুলের যত্ন না নিলে ডগা ফেটে যায়। দইয়ে প্রচুর ক্যালশিয়াম ও প্রোটিন থাকে। মধু চুলে পুষ্টি জোগাতে উপকারী

মোলায়েম ঘন কালো চুল কারই বা পছন্দ হবে না, কিন্তু চুলের যত্ন নেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত বেশিরভাগ শ্যাম্পু ও কন্ডিশনারে এতটা পরিমাণ রাসায়নিক ব্যবহৃত হয় যে, চুলের ডগা ফাটার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয় না। তার ফলে চুলের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য নষ্ট হয়, চুল খুব পাতলা দেখায়, এমনকি চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। তবে এর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতি আপনাকে বেশ উপকার দিতে পারে। চলুন দেখে নেওয়া যাক।

ডিমের মাস্ক
ডিমের মধ্যে প্রচুর প্রোটিন এবং প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যসিড থাকে। ফলে চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার সমস্যায় এটি খুবই ভালো কাজ করে। চুলকে মসৃণ এবং ঘন করতে ডিমের জুড়ি নেই। শুধু মাত্র তেলের সঙ্গে ডিম ফেটিয়ে নিয়ে ভালোভাবে মাথায় মেখে রাখুন। আধঘন্টা পরে ধুয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন।

নারকেল তেল
অন্তত তিন দিন নারকেল তেল উষ্ণ করে চুলের গোড়া থেকে ডগা অব্দি ভালোভাবে ম্যাসেজ করুন। পরের দিন সকালে শ্যাম্পু করে ফেলুন।

দই
দইয়ের মধ্যে প্রচুর ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিন থাকে। দইয়ের সঙ্গে ডিম বা অন্য যে কোনও প্রোটিনযুক্ত তেল মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করে মাখলে উপকার পাবেন।

কলা
বিশেষত পাকা কলার মধ্যে প্রচুর পটাশিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। কলাকে ভালভাবে চটকে সামান্য মধু এবং লেবুর রস সহযোগে মেখে রেখে দিন মাথায়। আধঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন।

দুধ
ত্বক থেকে চুলের স্বাস্থ্যরক্ষায় দুধের উপকারিতা অনস্বীকার্য। আমন্ডজ মিল্ক, সোয়া মিল্ক বা কোকোনাট মিল্ক আপনার ক্ষতিগ্রস্ত চুলের স্বাস্থ্য ফেরাতে কার্যকর প্রমাণিত হতে পারে।

মধু
মধু আসলে চটচটে হলেও এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে মশ্চারাইজার থাকে। সামান্য দুধ এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস সহযোগে মধুর প্যাক তৈরি করে চুলে মাখলে ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসবে ক’দিনের মধ্যেই।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*